আমেরিকার বোস্টনে বৌদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন

0
70

উৎপল কুমার বড়–ুয়া, বোস্টন থেকে ।

আমেরিকার বোস্টনে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশী বৌদ্ধরা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্ষ ও যথাযথ মর্যাদায় তাদের  প্রধান উৎসব বৌদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন  করেছে। গত ১৬ই জুন রবিবার বাংলাদেশী বৌদ্ধদের নিজস্ব ভূমিতে স্থাপিত আন্তজার্তিক ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহার ও মেডিটেশান সেন্টারের উদ্যোগে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিবসটি পালিত করেন ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধাধর্মাবম্বীরা। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বৌধিজ্ঞান ভাবনা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আসিন জিন রক্ষিত মহাথের।

বিভিন্ন পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে ছিল পবিত্র ত্রিপিটক পাঠ, পঞ্চশীল প্রার্থনা, বিশ্বের সকল প্রাণীর সুখ ও শান্তি কামনায় সূত্র পাঠ, ধর্মালোচনা , সংঘদান ও ভক্তিমূলক গানের আয়োজন। দ্বিতীয় পর্বে ছিল, অতিথি আপ্যায়ন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৌদ্ধ কীর্তন পরিবেশন।

utpal-1

ধর্মালোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন আন্তজার্তিক চক্র বৌদ্ধ বিহার ও মেডিটেশন সেন্টারের পরিচালক প্রফেসর ফ্রা মহা নিরোধা নন্দ ভিক্ষু, বিহারের প্রতিষ্ঠাতা ও ভূমিদাতা দানবীর বাবু তপন চৌধুরী, বাবু তপন কুমার সিংহ, দেবাশীষ বড়–য়া, তাপস বড়–য়া, উজ্জল বড়–য়া, জুয়েল বড়–য়া, মিসেস শর্মিলা চৌধুরী, টিংকু বড়–য়া, তনুশ্রী বড়–য়া প্রমুখ।

বক্তারা বৌদ্ধ পূর্ণিমার বিশেষত্ব,  বোস্টন বৌদ্ধদের ঐক্য, প্রগতি ও সংহতি নিয়ে বিশদভাবে ধর্মালোচনা ও দিকনির্দেশনা মূলক বক্তবে বলেন, বুদ্ধের সমকালীন সময়ে অনেক রাজা মহারাজা বৌদ্ধ বিহার দান করে ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আছেন।  বৌদ্ধ বিহার পরবর্তী প্রজম্মের কাছে নীতি ও নৈতিক আদর্শের ধারক ও বাহক হিসেবে বিরাট ভূমিকা পালন করবে। সবাইকে অত্র বৌদ্ধ বিহারের সৌন্দর্য বর্ধন ও উন্নয়নে নিজ নিজ জায়গা হতে এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। অনুষ্ঠানে বাবু দেবাশীষ বড়–য়া ও মিসেস তাপসী বড়–য়া নুপুর আন্তজার্তিক ধর্মচক্র বৌদ্ধবিহার ও মেডিটেশন সেন্টারের জন্য আগামী কঠিনচীবর দান অনুষ্ঠানে এক সেট বৌদ্ধদের মহা মূল্যবান ধর্মগ্রন্থ পবিত্র ত্রিপিটক দান করার প্রতিশ্রæতি দেন।

প্রবল উৎসাহ ও উদ্দিপনায় রংবেরঙের পোশাকে সজ্জিত সব বয়সের স্বদেশী বৌদ্ধ ভিক্ষুদের  উপস্থিতি ছাড়াও মায়ানমার শ্রীলংকা ও নেপালের ভিক্ষু সংঘ উপস্থিতিতে বাবু সুমিত বড়ুয়ার সঞ্চালনায়  পুরো অনুষ্টানটি ছিল প্রাণবন্ত।